Sunday, 28 June, 2026
Logo
বিজ্ঞাপন
যাবতীয় রড, সিমেন্ট, ইট, বালি ও কনা পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয় ।। যোগাযোগ- মেসার্স হোসেন ব্রাদার্স/ জাকের ট্রেডার্স।। সোবান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড, সিনেমা হলের পাশে, দাগনভুইয়া, ফেনী। প্রোপ্রাইটর জাকের হোসেন আলমগীর ০১৭১১-৯৬২৯২৫।। ০১৮৭১-৯৩০০০৮ মেসার্স কে আহাম্মদ এন্ড সন্স! পরিবেশক,বি এম, ডেল্টা ও ইউনি এল পি গ্যাস! যোগাযোগ- বসুরহাট রোড, সিনেমা হলের সামনে, দাগনভুইয়া, ফেনী- ০১৭১১-৩০৪৮৭৩, ০১৮৩৯-৩৯৭১৩০! দাগনভুইয়া ফিজিওথেরাপী সেন্টার, একটি আধুনিক বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস ও মুখ বাঁকা চিকিৎসা কেন্দ্র। ঠিকানা- সোবহান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড। (সাবেক ঝর্না সিনেমা হলের পাশে)। দাগনভুইয়া, ফেনী। 01818-019684, 01721-910110

দুদকের দোহাই দিয়ে বিভাগীয় তদন্তে দ্বায়সারা প্রতিবেদন দিলেন আনিসুল ওয়াহাব

প্রধান প্রতিবেদক

প্রকাশিত: / বার পড়া হয়েছে


File Image

#দূর্নীতিবাজ পিডি ইনামুল কবীরের সাথে আঁতাত  
#গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগ আমলে নেননি তিনি 
# জনবল নিয়োগ কারী প্রতিষ্ঠান LKSS নিয়ে উত্থাপিত দূর্নীতির অভিযোগ পাশ কাটিয়ে  প্রতিবেদন দাখিল 
# অফিস ভাড়া নিতে মন্ত্রণালয়ের আদেশের বিষয় টি এড়িয়ে গেলেন

স্হানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের জলবায়ু সহনশীল প্রকল্পের পিডি প্রকৌশলী ইনামুল কবীরের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতি নিয়ে জাতীয় দৈনিকে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর ২৮ ডিসেম্বর ২৫ তারিখে কাজী গোলাম মোস্তফা ( সাবেক প্রধান প্রকৌশলী) স্বাক্ষরিত ৪৬,০২,০০০০,০০১,২৭,০২৩,২৫,১১৪০৯ নং স্মারকে   তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুল ওয়াহাব কে দায়িত্ব দিয়ে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আনিসুল ওয়াহাব ৬ জানুয়ারি ২৬ তারিখে প্রধান প্রকৌশলীর স্বারক নং  ৪৬,০২,০০০০,০০১,২৭,০২০,২৫-১১৪০৯ এর আলোকে ৪৬,০২,০০০০,৩০১,২৭,০০৩,২৬-২৭০৮ নং স্মারকে দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার নির্বাহী সম্পাদককে প্রকাশিত সংবাদের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সহ যাবতীয় প্রমানাধি সহ ১১ জানুয়ারি ২৬ তারিখে অভিযোগের প্রমানক দাখিল করতে অনুরোধ করেন৷ 
নির্বাহী সম্পাদক প্রতিবেদক সহ স্ব শরীরে হাজির হয়ে প্রমানাধি প্রদর্শন ও তথ্যসূত্র জমা দেন৷ উল্লেখ্য যে প্রকাশিত সংবাদের জনবল নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান   এল,কে,এস,এস নিয়োগে অনিয়ম, অফিস ভাড়ার ব্যাপারে সরকারি আদেশের প্রমানক, বুয়েটের মত ব্যয়বহুল জায়গায় পরীক্ষা সংক্রান্ত ব্যয়ের উৎস, তিন স্হরের নিরাপত্তা, বিজ্ঞাপন আকারে প্রতিবাদ ছাপানোর ব্যয়ের খাত, উল্লেখযোগ্য বিষয় গুলো এড়িয়ে দায়সারাভাবে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

স্হানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আলোচিত দূর্নীতিবাজ প্রকৌশলী ইনামুল কবীরের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন নিয়ে শুরুতেই গুঞ্জন ছিল প্রভাতী প্রকল্পের সাবেক পিডি  দূর্নীতিবাজ তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুল ওয়াহাব কে দিয়ে দূর্নীতির তদন্ত কতটা ফলপ্রসূ হবে। অনেকেই বলতেন এখানেও অনৈক সুবিধা নিয়ে এক দূর্নীতিবাজ আরেক দূর্নীতিবাজকে দায়মুক্তি দিবেন।

তদন্ত কর্মকর্তা আনিসুল ওয়াহাবের তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে  নিশ্চিত বলা যায়, পুরো তদন্ত প্রক্রিয়াটা ছিল শুভংকরের ফাঁকি। দুদক ই যদি সকল কিছু  দেখবেন তাহলে প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত কমিটির নামে আই ওয়াশের প্রয়োজন ই বা কি ছিল৷ 


দায়সারাভাবে প্রতিবেদন  এবং প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখিত অপরাধ সমুহ উহ্য রেখে একতরফা প্রতিবেদন দাখিলের ব্যাপারে জানতে তদন্ত কর্মকর্তা  আনিসুল ওয়াহাবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, দূর্নীতির বিষয়ে তদন্ত করার জন্য বৈধ প্রতিষ্ঠান দূদক রয়েছে। এটা মূলত দুদকের এখতিয়ার। তিনি এ বিষয়ে দুদকের সাথে যোগাযোগ করার জন্য  প্রতিবেদককে পরামর্শ দেন৷
প্রসঙ্গত দূর্নীতিবাজ প্রকৌশলী ইনামুল কবীরের বিরুদ্ধে দুদকে দুটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। তিনি সিলেটের দায়িত্ব পালন কালীন সময়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। ফলে উনার বিরুদ্ধে বন বিভাগ ও দুদক সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন সাবেক প্রকৌশলী কাজী আব্দুস সামাদ।

Share

আরো খবর


সর্বাধিক পঠিত